অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি ও পরিচালক রাজ চক্রবর্তী এই দুজনেই টালিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে জনপ্রিয়তার এক অন্যতম শীর্ষে বিরাজ করছেন। এই দুজনের প্রেম অনেক আগে থেকেই ছিলো, তবে বিয়েটা নিয়ে একটু সন্দেহ ছিলো, যে সেটা আদৌ হবে কি না? অবশেষে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত বছরের ১১ মে চার হাত এক হয়েছিল। কিন্তু দুজনের বিয়ের তিন মাস যেতে না যেতেই নিজের শাশুড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন শুভশ্রী গাঙ্গুলি।তবে, আপনি যে অভিযোগের কথা ভাবছেন তা কিন্তু একদমই নয়, শুভশ্রী অভিযোগ তুলেছেন যে, রাজের মা নাকি শুভশ্রীকে রান্নাঘরে যেতে দেন না।ভারতীয় নিউজ অনুযায়ী জানা গেছে যে, নিন্দুকেরা সবসময়ই এমন প্রশ্ন তুলেছেন যে, তাঁদের বিয়ে আর কতদিন বা টিকবে! সেই সব জল্পনা-কল্পনা দূরে সরিয়ে রেখে সেইসব শত্রুদের মুখে রীতিমত ঝামা ঘসে দিয়ে শুভশ্রী এবং রাজ দুজনেই বিয়ের পর প্রায় তিনটে মাস একসাথে কাটিয়ে ফেললেন। শুভশ্রী নিজের মুখেই ১১ ই আগস্ট জানিয়েছিলেন যে, স্বামী রাজের সঙ্গে তিনি প্রতিটি মুহূর্ত রীতিমত তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছেন।

প্রতিদিনই নিয়ম করে এই নবদম্পতি এক সঙ্গে ওয়ার্কআউট করেন, এমনকি এক ঘণ্টার সেই ওয়ার্কআউট সেশন তারা দু’জনেই বেশ উপভোগ করেন বলেও জানিয়েছেন টলিউডের এই খ্যাতনামা অভিনেত্রী।

 

নিজের স্বামী ও শাশুড়িকে রান্না করেও খাইয়েছেন শুভশ্রী। যদিও তিনি তাঁর শাশুড়ির বিরুদ্ধে ‘অভিযোগ’ তুলেছেন যে, রাজের মা নাকি তাকে রান্নাঘরে ঢুকতেই দেন না। শুভশ্রীর কথা শুনে বোঝাই গেছে যে, তাঁরা দুজনে বেশ আনন্দেই আছেন, তাই বিয়ের তিন মাস আলাদা করে সেলিব্রেট করার কোনও কারণই নেই বলেও জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

তাছাড়াও , তিনি জানিয়েছেন যে, বিয়ের পরে প্রতিটি দিনই তিনি তাঁর স্বামী রাজের সাথে সেলিব্রেট করছেন।

প্রসঙ্গত, বাংলা সিনেমার (টালিউড) এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী একটি ওড়িশা ছবি করেও যথেষ্ট প্রশংসা পেয়েছিলেন, এমনকি তিনি ফেয়ারএভার “আনন্দলোক নায়িকার খোঁজে” -এর বিজয়ী হয়েছিলেন।

জানা গেছে যে, শুভশ্রী প্রথম ব্রেক পায় মহান্তির বিপরীতে “মাতে তা লাভ হেলারে” নামের একটি ওড়িশা ছবির মাধ্যমে। তারপর “পিতৃভূমি” ছবিতে তিনি জিতের বোনের ভূমিকায় প্রথম বাংলা ছবিতে অভিনয় করেছিলেন।