একটা কথা মানতেই হবে এবার কলকাতার ‘সা রে গা মা পা’ জমিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের নোবেল। এই প্রতিযোগিতায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন তিনি। প্রতিটা পর্বেই নতুন চমক নিয়ে হাজির হন। সেই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার দিবাগত রাতে জি বাংলায় প্রচার হওয়া পর্বে নোবেল মঞ্চে হাজির হন নতুন চমক নিয়ে। সঙ্গী ছিল তার গিটারটাও।

নোবেলের কণ্ঠে বেজে ওঠে ‘কফি হাউজের সেই আড্ডাটি আজ আর নেই, কোথায় হারিয়ে গেল সোনালি বিকেলগুলো সেই। এই গান গেয়েই ঝড় তুলেছেন নোবেল। নোবেলের সঙ্গে প্রতিবারের মতো মঞ্চে উঠেছিল একদল বাদক। নতুন করে সংগীতায়োজন করা গানটিতে পাওয়া যায় এই সময়ের ছোঁয়া। সঙ্গে ছিলো কোরাসের সহশিল্পীরাও। বরাবরের মতো এবারও বিচারকদের মন জয় করে নিয়েছেন নোবেল। বিচারকের আসনে বসা শ্রীকান্ত আচার্য, অলকা ইয়াগনিক ও শান্তুনু মৈত্র প্রসংশা করেন তার গায়কীর। রাতে গানটি প্রচারের পর ফেসবুকেও ছড়িয়েছে গানটি।

জি বাংলার ফেসবুক পেজে গানটিতে লাইক ও রিঅ্যাক্ট পড়েছে ৩৭ হাজারেরও বেশি। মজার ব্যপার হলো এই গানে নোবেলের সঙ্গে তবলা বাজিয়েছেন একজন প্রবীণ তবলা বাদক। যিনি মান্না দে’র সঙ্গেও তবলা বাজিয়েছেন। গান শুনে নোবেলের উদ্দেশ্যে শ্রীকান্ত আচার্য বলেন, ‘এই যে তুমি গানটি গাইলে, এখানে দীপু দা রয়েছেন তবলাতে। উনি দীর্ঘদিন মান্না দার সঙ্গে বাজিয়েছেন। মান্না দা শেষ কয়েক দশকে যতগুলো গান গেয়েছেন, এই গানটা সুপার হিটের উপরেও যদি কিছু থাকে তাহলে তাই।

তোমার কণ্ঠে গানটা শুনেও মুগ্ধ হয়ে গেছি।’ মান্না দে’র তবলা বাদককে সঙ্গে পেয়ে খুশি হয়ে নোবেল, ‘আমি চিনতাম না উনাকে, চেনার পর অনেক ভালো লাগছে, দিপু দা আমার সঙ্গে বাজালেন, সত্যিই এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।’ দিপুও স্মৃতিকাতর হয়ে বললেন, ‘মান্না দা’র সঙ্গে তিনবার বাংলাদেশে গেছি।

তিনবারই এই গানটা গাইতেই হয়েছিল।