in

Dharmajuddha Review : ধর্মযুদ্ধ রিভিউ

Dharmajuddha Review

অভিনয়ে: স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত ,শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়,পার্নো মিত্র, (Parno Mitra) ঋত্বিক চক্রবর্তী, (Rwittick Chakraborty), সোহম চক্রবর্তী (Soham Chakraborty)

পরিচালনায়: রাজ চক্রবর্তী

Movie Rating

রাজ চক্রবর্তীর নতুন ছবি “ধর্মযুদ্ধ” (Dharmajuddha Review)। নামকরণ থেকেই দর্শক বুঝতে পারবেন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাই ছবির বিষয়।ছবির গল্প চার চরিত্র- জবর, রাঘব, শবনম, মুন্নি। সীমান্ত অঞ্চল। যেখানে জাত, ধর্ম নিয়ে অশান্তি নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়, সেই অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতির শিকার এঁরা। মুন্নির (শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়) স্বামীকে বেকায়দায় ফেলে, উসকে মসজিদে হিন্দু পতাকা লাগানো হয়। যার ফলস্বরূপ জ্বলতে শুরু করে সেই গ্রাম। ধর্মীয় ধজ্বাধারীদের রোষানল থেকে বাদ যায় না জবর, রাঘব, শবনমরাও। প্রত্যেকেরই কালো অতীত রয়েছে। যেখানে ধর্মকে শিখণ্ডি করে খুন-জখমও হয়েছে। এক দাঙ্গার রাতের ঘটনাকেই পর্দায় তুলে ধরেছেন রাজ চক্রবর্তী।

শবনমের (পার্ণো মিত্র) সঙ্গে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখে মরতে হয়েছে হিন্দু যুবককে (কৌশিক রায়)। লাভ জিহাদের এহেন ঘটনা ‘হিন্দু-রাজ্যে’ আকছাড় ঘটে! অন্যদিকে মুসলিম পাঁঠার মাংস বিক্রেতা জবরকে (সোহম চক্রবর্তী) গো-মাংস বিক্রির সন্দেহে গণপিটুনির শিকার হতে হয়। সমসাময়িক আরেকটি প্লটে দেখানো হয় আজানের সময় তুলসি তলায় শঙ্খ ফুঁ দেওয়ার অপরাধে রাঘবের (ঋত্বিক চক্রবর্তী) মাকে হত্যা করার ঘটনা। আধুনিক সমাজে এহেন ঘটনা অবাস্তব মনে হলেও দেশের অনেকাংশে আজও এসব প্রাসঙ্গিক এবং বাস্তবও বটে! যার বলি হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

দাঙ্গার রাতে ঘরহারা তিন চরিত্র- মুন্নি, জবর, রাঘবরা আশ্রয় নেন এক বৃদ্ধার বাড়িতে। যদিও বৃদ্ধা নিজেই ওদের ডেকে এনে আশ্রয় দিয়েছেন এবং দাঙ্গা নয়, ভালোবাসা, সহিষ্ণুতা ও ধর্মে আঘাত না করে সম্প্রীতির পরিমণ্ডলে বাস করাটাই আদর্শ হওয়া উচিত। ছবির শেষে এই শিক্ষাই রাজ চক্রবর্তী রেখেছেন।

 

সৌমিক হালদারের ক্যামেরার কাজ ভালো ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের আবহ সংগীত কানে লাগে । ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র মুসলিম বৃদ্ধার চরিত্রে প্রয়াত স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত অবশ্যই সবাইকে ছাপিয়ে গেছেন । শুভশ্রীর অভিনয় বেশ ভালো । পার্নোও কিন্তু যথাসার্ধ চেষ্টা করেছেন । জব্বরের চরিত্রে সোহম একটু কিছু জায়গায় অতিনাটকীয় । রাঘবের ভূমিকায় ঋত্বিক দর্শকদের নজর কাড়বেন। কেমিও চরিত্রে রুদ্রপ্রসাদ তাঁর জাত চিনিয়ে দেন শুধু চোখ দিয়েই।

একটি গুরুতর বাস্তবসম্মত বিষয় সামঞ্জস্যপূর্ণ চিকিত্সার দাবি করে। একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হওয়া সত্ত্বেও, ধর্মযুদ্ধ তা প্রদান করতে ব্যর্থ।

What do you think?

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.

GIPHY App Key not set. Please check settings

Loading…

0

Bhotbhoti Review : ‘ভটভটি’ রিভিউ

Fish-Tish at Sarat Bose Road is One Stop Shop for Delicious Dishes