সাধ্যের মধ্যে স্বপ্ন পুরনে ‘আগমনী’

DSC0987 সাধ্যের মধ্যে স্বপ্ন পুরনে 'আগমনী'
Share it

সাল ১৯৮৯,,,মাত্র ১৭ টি শাড়ি নিয়ে যার পথ চলা শুরু তাঁর নাম উত্তম কর।তার পর ধীরে ধীরে অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে এসে শুরু করেন নিজস্ব প্রতিষ্ঠান “ঘরোয়া”।তার পরে আর থেমে থাকতে হয়নি,,যদিও ততদিনে পাশে এসে তার যোগ্য সহযোদ্ধার মতন হাত ধরেছিলেন তাঁরই সহধর্মীনি শ্রীমতী ঝর্না কর।আর পরিশ্রম যখন ভালবাসার ছোঁয়া পায় সে তখন প্রতিদান দিয়েই যায়।এক্ষেত্রে ও তাই হল।ওনাদের অক্লান্ত পরিশ্রম আর নিখাদ ভালবাসায় পায়ে পায়ে সেই প্রতিষ্ঠান আজ ২৯ বছর অতিক্রম করেছে।” ঘরোয়া”আজ সেজেছে নতুন সাজে,,নাম তার “আগমনী”। বিভিন্ন ধরনের শাড়ির সম্ভার নিয়ে পসরা সাজিয়ে বসেছে সে।তাঁত,,জামদানি,,সিল্ক,,তসর,,কাঞ্জিভরম,, হ্যান্ডলুম শাড়ির অনন্য প্রতিষ্ঠান এই আগমনী।যেখানে শুরু হয়ে গেছে পুজোর ভিড়।কর্নধারের কথা অনুযায়ী ওনাদের এবারের মূল ভাবনা ” সাধ্যের মধ্যে স্বপ্ন পূরণ “। বাঙালির প্রাণের পূজোয় কেউ যেন মনমরা হয়ে না থাকেন এই বার্তাই বার বার দিয়েছেন কর্নধার।আমরাও রইলাম সেই অপেক্ষায়। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল আমাদের তরফ থেকে ” আগমনী ” কে।

DSC0981 সাধ্যের মধ্যে স্বপ্ন পুরনে 'আগমনী'

 

 

যুদ্ধ কখনো থেমে যায়না,,পরিবর্তন হয় শুধু সেনানায়কের।কিন্তু একজন যোদ্ধার কখনো মৃত্যু হয়না,,তিনি বেঁচে থাকেন তার যুদ্ধ নীতির মধ্যে,, তার সেনাবাহিনী র মধ্যে।। শুধু তার তলোয়ার টা এক যোগ্য হাত থেকে আরেক যোগ্য হাতে চলে যায়।।এখানেও তাই,,, আজ উত্তম বাবু নেই,,কিন্তু এই “নেই” টা শুধু তাঁর শরীরের।মৃত্যু মানে শুধু এক অধ্যায়ের সমাপ্তি।কিন্তু তিনি যে জীবন যোদ্ধা,,, তাঁর সমাপ্তি ঘটাবে এত ক্ষমতা বোধহয় স্বয়ং যমরাজ এরও নেই।তাই তাঁর ব্রহ্মাস্ত্র তিনি দিয়ে গেছেন তার পরিবারের হাতে।কিন্তু তিনি আছেন,,থাকবেন। আর থাকবে আগমনী তার বিপুল সম্ভার নিয়ে।

আগমনী
৭৩,এস এন রায় রোড,বেহালা
কলকাতা ৭০০০৩৮
৯০৫১৩১৭৫২০

 

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 0 / 5. Vote count: 0

No votes so far! Be the first to rate this post.

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Likes:
0 0
Views:
1276
Article Categories:
FASHION

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

PHP Code Snippets Powered By : XYZScripts.com