February 18, 2019
Breaking News
  • Home
  • INTERVIEW
  • টেলিভিশন বা বড় পর্দায় ভালো সুযোগ পেলে নিশ্চই অভিনয় করবো
August 7, 2018

টেলিভিশন বা বড় পর্দায় ভালো সুযোগ পেলে নিশ্চই অভিনয় করবো

By 0 751 Views

তার জন্ম বেহালায়,বাবার কর্মসূত্রে সল্টলেকে চলে যাওয়া ওখানেই তার শৈশব ও বড় হয়ে ওঠা।লবনহ্রদ বিদ্যাপিঠ ফর গার্লস থেকে স্কুলিং এর পর রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাইন আর্টস নিয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পূর্ন করেন।ছোট থেকেই ক্লাসিকাল মিউজিকে হাতেখড়ি তারপর যখন সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী তখন থেকে পন্ডিত আচার্য জয়ন্ত বসুর কাছে তালিম।বাচিক শিল্পীর ভীতটা ওখান থেকেই তৈরি।২০০০ সালে স্নাতকোত্তর ইটিভি বাংলাতে খবর পড়া শুরু।ইটিভির জন্মলগ্ন থেকেই তিনি খবর পড়ছেন।২০০৫ পর্যন্ত একনাগাড়ে ওখানে তিনি খবর পড়ে গেছেন।

 

তার জনপ্রিয়তার শুরু এবং বাচিক শিল্পী হিসাবে শুরুটাও সেখান থেকেই।তিনি বর্তমানের জনপ্রিয় বাচিক শিল্পীর মধ্যে অন্যতম বাচিক শিল্পী মধুবণ চক্রবর্তী।ইটিভি তে দীর্ঘ পাঁচ বছর কাটানোর পর তিনি হায়দ্রাবাদ থেকে কলকাতায় ফিরে এসে অভিজিৎ দাসগুপ্তর চ্যানেল ‘খবর এখন’-এ যোগ দেন।এখানে তিনি বিনোদন সংবাদদাতা,খবর পাঠ , রান্নার শো করতে থাকেন। ২০০৭ সাল থেকে তিনি ‘এন ই বাংলা’ তে প্রোগ্রামিং বিভাগে প্রধান উপস্থাপিকা হিসাবে যোগ দেন।এখানে ডাক্তারদের নিয়ে তার প্রোগ্রাম ‘মুসকিল আসান লাইফ’ বেশ জনপ্রিয়তা পায়।এরপর পরই সোনি এইট চ্যানেলে ‘শুভমুক্তি’ ও ‘বক্স অফিস ‘ প্রোগ্রামের তিনি উপস্থাপনার পাশাপাশি প্রযোজনার দ্বায়িত্ব সামলেছেন। পরে কলকাতা টিভি তে পাঁচ বছর উপস্থাপনা ও সংবাদ পাঠিকার দ্বায়িত্বে ছিলেন। মধুবনের জীবনে সবচেয়ে টার্নিং পয়েন্ট যদি বলা হয় তাহলে অবশ্যই সেটা আকাশ আট এর ‘গুড মর্নিং আকাশ’ শো টি।এখন তিনি ব্যস্ত তারা টিভির ‘আজ সকালের আমন্ত্রন’ শো নিয়ে।তারা টিভির এই প্রোগ্রামটি দর্শক শ্রোতার খুব পছন্দের। গানটাও চালিয়ে যাচ্ছেন নিয়মিত।তার কাছে জানা গেল বিশ্ব বিখ্যাত ঋদম প্লেয়ার প্রদ্যুৎ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে খুব শীঘ্রই একসাথে একটি প্রজেক্ট আসতে চলেছে।মিষ্টি গলার অধিকারিণী মধুবন দেখতেও বেশ মিষ্টি। তাই সাক্ষাৎকার শেষে যখন প্রশ্ন করলাম এত সুন্দরী অভিনয় করছেন না কেন ?বেশ লজ্জিত হয়ে মিষ্টি হেসে উত্তর দিলেন,”আগে দুটো টেলিফিল্ম করেছি। যাত্রাও করেছি।টেলিভিশন বা ছবিতে ভালো কোনো কাজ পেলে নিশ্চই করবো”।শেষে তিনি ধন্যবাদ জানালেন তার বাবা মাকে যাঁদের অনুপ্রেরনা ছাড়া তিনি এতটা দুর আসতে পারতেন না আর অবশ্যই পন্ডিত আচার্য জয়ন্ত বসু।মধুবনের মতে, ” আচার্য জি একজন মহান শিল্পীর পাশাপাশি একজন মহান কথাকারও বটে।তিনি যেন কথা বুনতে পারেন।গান শেখার পাশাপাশি কথা বলার তালিমটাও তখনই মনের অবচেতনে হয়ে গিয়েছিল”।

লেখা :রামিজ আলি আহমেদ

ক্যামেরায় বুলান ঘোষ।

 

 
Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

PHP Code Snippets Powered By : XYZScripts.com
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook
Google+
http://cinekolkata.com/2018/08/%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%9C-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2">
Twitter